Thursday, December 31, 2015

সফলতার চাবিকাঠি

Tags


তুফান আসে যেন তার ধ্বংসযজ্ঞে সব ধূলিসাৎ হয়ে যায়। ঢেউ আসে যেন পাল তোলা নায়ের মাঝিরা কূলে ভিড়তে পারে। বিজলি চমকায় যেন জমির বুক চিরে চারা গজিয়ে ওঠে ধীরস্থিরভাবে আসন গাড়তে পারে। এসবের ধ্বংসলীলা ও চরম ভীতিকর পরিস্থিতি এতটাই ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করে, মাঝে মাঝে মনে হয় এমন মহা তা-বে সৃষ্টিকুলের এক বিন্দুও বুঝি আর অবশিষ্ট থাকবে না। কিন্তু তার স্থায়িত্ব খুবই স্বল্প।
তুফান আসে যেন তার ধ্বংসযজ্ঞে সব ধূলিসাৎ হয়ে যায়। ঢেউ আসে যেন পাল তোলা নায়ের মাঝিরা কূলে ভিড়তে পারে। বিজলি চমকায় যেন জমির বুক চিরে চারা গজিয়ে ওঠে ধীরস্থিরভাবে আসন গাড়তে পারে। এসবের ধ্বংসলীলা ও চরম ভীতিকর পরিস্থিতি এতটাই ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করে, মাঝে মাঝে মনে হয় এমন মহা তা-বে সৃষ্টিকুলের এক বিন্দুও বুঝি আর অবশিষ্ট থাকবে না। কিন্তু তার স্থায়িত্ব খুবই স্বল্প।
মানুষের ব্যক্তিগত এবং সামষ্টিক যাপিত জীবনেও মাঝে মাঝে এমন ঝড়-তুফানের দেখা মেলে। এতে মন-মস্তিষ্ক প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। হাত-পা নিস্তেজ হয়ে আসে। অথচ প্রকৃতপক্ষে এটা তার জন্য পরীক্ষার কয়েক খ- মুহূর্তের সমষ্টিমাত্র। কিছু সময়ের জন্য যদি সে অটল থাকতে পারে, হিম্মত হারিয়ে যদি বিচ্ছিন্ন না হয়, মনের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়ে যদি আহম্মকের মতো পা না বাড়ায়; তাহলে এ সমস্যাই তাকে নিয়ে যাবে সমাধানের রাজপথে। এ মুসিবতই তাকে দাঁড় করাবে প্রশান্তির ফল্গুধারায়। সাময়িক এ ধৈর্যের বিনিময়ে উচ্চতার সুপ্রান্ত সীমায় পরতে পারবে সম্মানের তাজ।
মহাগ্রন্থ আল কোরআন মোমিনকে এমন সময়ে দুইটি বিষয়ে নির্দেশ দেয়। এক. সবর ও দুই. নামাজ। সবর কী? সাধারণত মানুষ মনে করে থাকে, কোনো প্রিয় ও নিকটাত্মীয়ের মৃত্যুতে কান্নাকাটি করা থেকে বিরত থাকার নাম 'সবর'। অথচ প্রকৃতপক্ষে সবরের সীমা বহু উঁচু। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই রয়েছে তার সম্পৃক্ততা। সবর অর্থ ধৈর্যধারণ করা। ধৈর্যশক্তি অনেক বড় গুণ এবং ধৈর্যহীনতা অনেক বড় দোষ। যার ভেতর ধৈর্যশক্তি বিদ্যমান, তার মধ্যে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার যোগ্যতা থাকে। সে বিরুদ্ধবাদীদের হীনচক্রান্ত রোধে প্রভাবক ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হয়। হজরতে আম্বিয়া (আ.) দের যেহেতু সর্বাধিক বিপরীত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, তাই তাদের আল্লাহ তায়ালা অফুরন্ত ধৈর্যশক্তি, ক্রোধ হজম ও বিরোধীদের নির্যাতন সহ্য করার যোগ্যতা দান করেছিলেন।
আমি এটা বোঝাতে চাচ্ছি না যে, সবর মানে হীনম্মন্যতা অবলম্বন করা বা হেরে যাওয়ার মানসিকতা লালন করা। বরং উদ্দেশ্য হচ্ছে, প্রজ্ঞার হাতিয়ার হাত থেকে ছুড়ে ফেলা যাবে না। স্বীয় জজবা ও জোশ অপাত্রে ব্যয় করা থেকে বিরত থাকতে হবে। রাসুল (সা.) এর পবিত্র জীবনের পরতে পরতে এমন অসংখ্য উপমা ছড়িয়ে আছে।
হুদাইবিয়ার সন্ধির প্রাক্কালে মক্কাবাসীর পক্ষ থেকে আনুমানিক ৪০ জনের একটি বাহিনী মুসলমানদের ওপর হামলা করতে উদ্যত হয়। এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়, তারা জানবাজি রেখেই এমন হত্যাযজ্ঞ চালাতে চেয়েছিল, যার প্রকৃত শাস্তি হতো তারা যে উদ্দেশ্যে এসেছে তা পূর্ণ করার মাধ্যমে, অর্থাৎ কতল করা হলে অথবা নূ্যনতম তাদের বন্দি করে রাখা যেত। কিন্তু রাসুলুল্লাহ (সা.) তাদের সেখানেই থাকতে বললেন। কেননা যদি এমন করা না হতো, তাহলে নিশ্চিত যুদ্ধের আগুন দাউদাউ করে জ্বলে উঠত। যে পক্ষের হোক জান-মালের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হতো। কিন্তু এতে করে আরবদের মাঝে ইসলামের প্রতি বিদ্বেষ আরও বৃদ্ধি পেত। কেননা তারা হেরেম শরিফকে খুবই সম্মান করে। তারা ভাবত, মুসলমানরা এখন হেরেমের সম্মানও নস্যাৎ করতে শুরু করেছে। এটা হুশকে জোশের ওপর এবং জজবা ও সাহসকে প্রজ্ঞা ও সহিষ্ণুতার ওপর প্রাধান্য দেয়ার এক প্রোজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
রাসুল (সা.) এর পবিত্র জীবন গজওয়ায়ে বনু মুসতালিকসহ এমন অসংখ্য ঘটনাপ্রবাহে টইটুম্বুর, যেখানে হিকমত, প্রজ্ঞা ও ধৈর্যের অনন্য উপমা তিনি দেখিয়ে গেছেন বিশ্বকে। বর্তমান সময়ে মুসলমানদের উচিত, সে সময়কার পরিস্থিতিকে উপলব্ধি করা। আমরা যদি ক্রোধ আর জোশের জোয়ারে ভেসে কয়েক টুকরো পাথর নিক্ষেপ করি, তাহলে অবশ্যই এতে অন্যের কোনো ক্ষতি হবে না, কিন্তু এর পরিণতিতে আপনার জন্য খুবই আপদসঙ্কুল পরিস্থিতি ও ভয়ঙ্কর ভবিষ্যৎ অপেক্ষমাণ। কোনো মানুষ সে যত বড় অত্যাচারী আর অনাচারী হোক না কেন, তার ইচ্ছে জাগে যদি এ অন্যায়, অনাচার ও অত্যাচারের অনুকূলে প্রভাবক কোনো হেতু, যুক্তি বা প্রমাণ পাওয়া যেত! তা যত হীন বা দুর্বল হোক না কেন! শয়তানও তার ওপর নির্দেশিত কর্মের বিরোধিতার যুক্তি উপস্থাপন করেছিল, আদম (আ.) সৃষ্টির উৎস আমার সৃষ্টির উৎস থেকে নিম্ন ও হীন। এ যুক্তিতে সে আদম (আ.) কে সেজদা করল না।
আমরা যদি অধৈর্য হয়ে ক্রোধে আক্রান্ত হয়ে কোনো সাধারণ অন্যায়ও করে ফেলি, তাহলে যারা বুকে বিদ্বেষ ও শত্রুতা পোষণ করে, তারা এতে আরও বেশি আগ্রাসী হয়ে ওঠার বৈধতা পাবে। নিজেরাই যেন আমরা তাদের হাতে বিদ্বেষের হাতিয়ার তুলে দিলাম। পরে মানুষ বাস্তব ঘটনা, এর নেপথ্য কাহিনী এবং এর সূত্রপাতের দিকে তাকাবে না। বরং বাহ্যিক ঘটনার আলোকে মানুষ এর ভালোমন্দ যাচাই করবে এবং মুসলমানকে একযোগে সবাই আসামির কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে। সুতরাং এমন পরিস্থিতিতে গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করে পা ফেলা চাই। উদাহরণস্বরূপ, আফগানিস্তানে মার্কিন অন্যায় আগ্রাসনের দিকে চিন্তা করুন, আমরা যদি সরকারের কাছে অনুরোধ করি যে, এহেন পরিস্থিতিতে মজলুমদের পক্ষে থাকুন অথবা নূ্যনতম তাদের ওপর হামলা থেকে বিরত থাকুন, তাহলে এটা একটি যুক্তিপূর্ণ ব্যাপার হবে। অনুরূপভাবে পশ্চিমা এবং মুসলিম দেশগুলোর দূতাবাসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আমাদের অভিমত পেশ করতে পারি। কিন্তু আমরা আমাদের উদ্দেশ্য সাধনে যদি রাস্তায় বেরিয়ে আসি, তাহলে এতে তো আমাদের উদ্দেশ্য বিন্দু পরিমাণও পূরণ হবে না; উল্টো দলপূজারি শক্তিগুলো এতে আরও টনিক খুঁজে পাবে এবং পরবর্তী দৃশ্যপট আমাদের জন্য কতটা ক্ষতিকর হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
আল্লাহর সাহায্যপ্রাপ্তির দ্বিতীয় হাতিয়ার 'সালাত'। সালাতের মূল অর্থ নামাজ। নামাজ এমন এক ইবাদত যা দ্বারা মানুষ আল্লাহর সামনে নিজেকে সম্পূর্ণরূপে সঁপে দেয়ার প্রয়াস পায়। কপাল থেকে নিয়ে পা পর্যন্ত প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ আল্লাহর বন্দেগিতে লিপ্ত হয়ে যায়। এজন্য নামাজ প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তনের এক অনন্য সোপান। অর্থাৎ সমস্যাসঙ্কুল পরিস্থিতিতে মানুষ তার প্রতিপালকের দিকে সম্পূর্ণভাবে মনোনিবেশ করবে। সে আল্লাহর চৌকাঠে তার ললাট ঠেকিয়ে বলবে, আমি মুখাপেক্ষী আপনি কারও মুখাপেক্ষী নন, আমি ভিক্ষুক আপনি দাতা, আপনি এ হাত খালি হাতে ফিরিয়ে দেবেন না। আল্লাহর শক্তি অফুরান। আমরা তো দিবানিশি আল্লাহর কুদরত দেখে থাকি, কিন্তু এ কুদরত বস্তুজগতের পর্দায় ঢাকা। কখনও কখনও আল্লাহর শক্তি আসবাবের করতলমুক্ত হয়ে দৃশ্যমান হয় মানুষের দৃষ্টির সীমানায়।
চিন্তা করুন, যখন মুসা (আ.) এবং বনি ইসরাইল গোত্রের পেছনে ফেরাউনের অগণিত সৈন্য ধাওয়া করছিল, মানুষ দেখে ভাবছিল, এ বাহিনী আজ মুসলমানদের ধুলোয় ধূসরিত করে ছাড়বে। কিন্তু আল্লাহর কাছে সিদ্ধান্ত ছিল ভিন্ন রকম। তাদের এ সমবেত বাহিনী নিজেরাই নিজেদের ধ্বংস ডেকে আনল। বদর যুদ্ধের প্রাক্কালে বড় বড় রণসাজ আর বীরের বেশে মক্কা থেকে কাফেররা এসেছিল। রাসুল (সা.) তাদের ব্যাপারে বলেছিলেন, মক্কা তাদের কলিজার টুকরোগুলো তোমাদের সম্মুখে ঢেলে দিয়েছে। তাদের জোশ আর উন্মাদনা দেখে মানুষ ভাবতে লাগল, এরা তো মদিনাকে টুকরো টুকরো করে ছাড়বে। কিন্তু কার জানা ছিল যে, আল্লাহ তাদের নিশ্চিহ্ন করার জন্যই এখানে সমবেত করেছেন। এতে মক্কাও তার জেদি নেতাদের খপ্পর থেকে বাঁচতে পারবে। আর ভবিষ্যতে মক্কাবাসীর জন্য হকের দাওয়াত গ্রহণ করা সহজতর হবে। অবশেষে আল্লাহর সিদ্ধান্ত ঠেকানোর কি কল্পনাও করা যায়?
অতএব, আমাদের আল্লাহর দিকে রুজু হতে হবে এবং তার খাজানা ও শক্তি দ্বারা সাহায্য নিতে হবে। তখন আমাদের জন্য কোনো কিছু আর বাধা হয়ে থাকবে না। আর কোনো বিষয় অসম্ভব হয়েও পড়ে থাকবে না। তিনি চাইলে মুসলিমবিরোধী সব অপশক্তিকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দিতে পারেন। আল্লাহ তার দুর্বল বান্দাদের কায়মনোবাক্যে চাওয়াকে এজন্য অধিক পছন্দ করেন যে, তারা আল্লাহর খাজানা থেকে চায়। এ সবর এবং আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন সব সফলতার চাবিকাঠি।
মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ
উর্দু মাহনামা 'আরমোগান' (নভেম্বর ২০১৫) পৃষ্ঠা ২৪-২৬ থেকে অনুবাদ কাজী যুবায়ির মাহমুদ
সৌজন্যে : দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ

ইসলামের দৃষ্টিতে বন্ধু নির্বাচন

Tags


বন্ধুত্ব মানবজীবনের অপরিহার্য একটি বিষয়। সামাজিক জীব মানুষ বন্ধু ছাড়া থাকতে পারে না। বন্ধু ও বন্ধৃত্ব সমাজজীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। মানুষ সামাজিক জীব। সুতরাং একজন সামাজিক জীবের পক্ষে কখনোই বন্ধুহীন থাকা সম্ভব নয়। এ ব্যাপারে আমাদের প্রত্যেকের সচেতন হওয়া দরকার।
বন্ধুত্ব মানবজীবনের অপরিহার্য একটি বিষয়। সামাজিক জীব মানুষ বন্ধু ছাড়া থাকতে পারে না। বন্ধু ও বন্ধৃত্ব সমাজজীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। মানুষ সামাজিক জীব। সুতরাং একজন সামাজিক জীবের পক্ষে কখনোই বন্ধুহীন থাকা সম্ভব নয়। এ ব্যাপারে আমাদের প্রত্যেকের সচেতন হওয়া দরকার। মানবজীবেনর অন্য বিষয়বস্তুর মতো এ বিষয়টির ব্যাপারেও ইসলাম দিকনিদের্শনা দিয়েছে এবং ভালো, সৎ ও দ্বীনদ্বার বন্ধু নির্বাচন করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছে।
কে হবে আপনার বন্ধু? একজন মুমিন-মুসলমান হিসেবে বন্ধু নির্বাচন করা এবং বন্ধু হওয়ার জন্য কী কী গুণের প্রয়োজন, এসব ব্যাপারে ইসলাম আমাদের বেশ ভালো পরামর্শ দিয়েছে। বন্ধু গ্রহণ করার কথা উল্লেখ করে পবিত্র কোরানে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেছেন, ‘মুমিনরা যেন অন্য মুমিনকে ছেড়ে কোনো কাফেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ না করে। যারা এমনটি করবে, আল্লাহ তাদের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখবেন না।’ (আলে ইমরান-২৮)
আলোচ্য আয়াতটির মধ্যে যেমন বন্ধু নির্বাচনের নীতিমালা বর্ণিত হয়েছে, তেমনি ফুটে উঠেছে কাফেরকে বন্ধু হিসেবে নির্বাচন করার ভয়াবহ পরিণামের চিত্র। ভালো কিংবা মন্দ বন্ধু গ্রহণ করার পরিণাম বর্ণনা করতে গিয়ে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘পৃথিবীতে যার সঙ্গে যার বন্ধুত্ব ও ভালোবাসা রয়েছে, পরকালে তাদের সঙ্গেই তার হাসর-বিচার হবে।’ বিখ্যাত দার্শনিক ইমাম গাজ্জালি (রহ.) বলেছেন, ‘সবাইকে বন্ধু নির্বাচন করা যাবে না; বরং তিনটি স্বভাব যার মাঝে বিদ্যমান, এমন লোককে বন্ধু নির্বাচন করা চাই। তিনটি গুণ হলো- এক. বন্ধুকে হতে হবে জ্ঞানী, বিচক্ষণ। দুই. বন্ধুর চরিত্র হতে হবে সুন্দর ও মাধুর্যময়। তিন. বন্ধুকে হতে হবে নেককার, পূণ্যবান।’
মুমিনের সব কাজই আমল-ইবাদত। কাউকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করাও একজন মুমিনের নাজাতের উসিলা হতে পারে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশে কাউকে ভালোবাসল, একমাত্র তার জন্যই কাউকে ঘৃণা করল, তারই সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য কাউকে দান করল এবং তা থেকে বিরত থাকল; তবে নিঃসন্দেহে সে নিজ ইমানকে পূর্ণতা দান করল।’ (আবু দাউদ)
বন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রে জগদ্বিখ্যাত কবি আল্লামা শেখ সাদি (রহ.) বিখ্যাত উক্তি দিয়েছেন, ‘সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ।’ একজন ভালো বন্ধু যেমন মানুষের জীবনের গতি পাল্টে দিতে পারে, তেমনি একজন অসৎ বন্ধুর কারণে জীবন হয়ে যেতে পারে অন্ধকারাচ্ছন্ন। তাই বন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রে ইসলাম প্রদর্শিত নির্দেশ অনুসরণ করতে হবে। এতে একদিকে যেমন নানাবিধ সমস্যা ও ভোগান্তি থেকে বেঁচে থাকা যাবে, অন্যদিকে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.)-এর পথ অনুসরণ করার সাওয়াব পাওয়া যাবে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ভালো ও নেক বন্ধু নির্বাচনের তাওফিক দান করুন। আমিন।
মাওলানা মিরাজ রহমান

ব্যথা যখন ঘাড়ে

Tags

সারা দিনে নানা কাজে আমাদের ঘাড়ের
নড়াচড়া হয় বেশ। দেহভঙ্গি ঠিক থাকলে
অসুবিধা নেই, কিন্তু ভুল হলেই ঘাড়ে ব্যথা হতে
পারে। এ ব্যাপারে সবারই একটু সতর্ক থাকা
উচিত।
কারণ: দীর্ঘক্ষণ অস্বাভাবিকভাবে ঘাড় বাঁকা
রেখে কোনো কাজ করলে (যেমন: টেলিভিশন
দেখা, কম্পিউটারে কাজ করা, কাপড় কাচা বা
রান্নাবান্না) এমন ব্যথা হতে পারে। বয়সের
কারণে শরীরের হাড় কিছুটা ক্ষয়ে যায়। এই
ক্ষয়ের ফলেও ঘাড় ব্যথা হতে পারে। আবার
উচ্চরক্তচাপ এবং যক্ষ্মাসহ কিছু জীবাণুর সংক্রমণ,
চোখের কিছু অসুবিধা এবং দুশ্চিন্তার কারণেও
হতে পারে এমনটা।
করণীয়: ঘাড়ে গরম সেঁক দিলে উপকার পাবেন।
ব্যথা বেশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী
ব্যথানাশক নিতে পারেন। দূরে কোথাও যেতে
হলে ঘাড়ে সারভাইকাল কলার পরতে পারেন।
ঘাড় সামনে ঝুঁকিয়ে যাঁদের কাজ করতে হয়,
তাঁরাও এই কলার পরে নিতে পারেন। এটি
চারপাশ থেকে গলাকে আবৃত রাখে, তাই ঘাড়ে
ব্যথা কম হয়।
সঠিক জীবনযাপন: শোবার সময় একটা নরম বালিশ
ব্যবহার করুন। শুয়ে টিভি দেখবেন না। পড়ালেখা,
কম্পিউটারে কাজ করা, গাড়ি চালানো বা অন্য
যেকোনো কাজের সময়, এমনকি দাঁড়ানো
অবস্থাতেও ঘাড় ঝুঁকিয়ে বা বাঁকিয়ে রাখবেন
না। সুস্থ ব্যক্তিরা ঘাড়ের এক ধরনের ব্যায়াম
করতে পারেন। কপালে একটি হাত শক্তভাবে
রাখুন, হাতটিতে মাথা দিয়ে চাপ দিন। মাথার
চারদিকেই হাত রেখে এভাবে ব্যায়াম করুন।
প্রতি দিকে ৫ বারের বেশি চাপ দেবেন না।
২-৩ বেলা এই ব্যায়াম করা যায়। দুশ্চিন্তামুক্ত
থাকুন, ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে প্রতিদিন।
ডা. সোহেলী রহমান
অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, ফিজিক্যাল
মেডিসিন ও রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ, ঢাকা
মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

:::::::গনিতের শর্টকাট টেকনিক:::::: বর্গ_নির্ণয

Tags


--------------------------------------
যদি কোন সংখ্যার শেষ digit 5 হয়
তাহলে যেকোন সংখ্যার বর্গ আমরা
মাত্র ৫ সেকেন্ডে বের করতে
পারি।
কোন সংখ্যার শেষ digit 5 মানে যেসব
সংখ্যার শেষ এককের ঘরর ৫ আছে,
যেমন (১৫,২৫,৩৫,৪৫,৫৫,৬৫,৭৫,৮৫,৯৫,১০
৫,১১৫,১২৫,১৩৫,১৪৫,১৫৫,১৬৫,১৭৫,১৮৫,,,,,,,,,,,,
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,এই টাইপের সংখ্য
তাহলে চলুন দেখা যাক কিভাবে ৫
সেকেন্ড এসব সংখার বর্গ নির্ণয়
করা যায়,,,,
# টেকনিক ,,, , ১মে আমরা শেষ digit এর
বর্গ বের করব যেহেতু শেষ digit 5 তাই
বর্গ হবে ২৫....তারপর আগের digit এর
সাথে ১যোগ করে প্রাপ্ত digit কে
আগের ঔ digit দ্বার গুন করে বসাব তার
পাশর ২৫ বসালেই কাজ শেষ
উদাহরন,, , ১৫ এর বর্গ কত???
৫ এর বর্গ=২৫
আগের digit+১ =২
এখন ১*২=২
::: ২২৫ (উত্তর)
১১৫ এর বর্গ কত???
শেষ digit এর বর্গ=২৫
আগের digit+১=(১১+১)=১২
১২সাথে আগের digit গুন১১*১২=১৩২
::::::১৩২২৫ (answer)
#95 এর বর্গ কত??
৫এর বর্গ =২৫
৯+১=১০
(৯*১০)=৯০
::::::৯০২৫ (answer)
#75 এর বর্গ কত????
::::৫এর বর্গ=২৫
৭+১=৮
:::(৭*৮)=৫৬
:::::৫৬২৫ (answer)

Tuesday, December 29, 2015

জেনে নিন উচ্চতা অনুযায়ী নারী পুরুষের আদর্শ ওজন

Tags

উচ্চতার অনুযায়ী প্রতিটি মানুষের আছে একটি
আদর্শ ওজন। ওজন যদি এই আদর্শ মাত্রায় থাকে,
অর্থাৎ এর চাইতে বেশি বা কম না হয়ে থাকে,
তাহলে মানুষটি সুস্থ দেহের অধিকারী এবং
তার রোগ বালাই হবার সম্ভাবনা কম।
আদর্শ ওজন নির্ণয়ের ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তির ওজন
কিলোগ্রামে মাপা হয় এবং উচ্চতা মিটারে
মাপা হয়। এরপর ওজনকে উচ্চতার বর্গফল দিয়ে ভাগ
করা হয়। এই ভাগফলকে বলা হয় বিএমআই। বিএমআই
১৮ থেকে ২৪-এর মধ্যে হলে স্বাভাবিক।
২৫ থেকে ৩০ এর মধ্যে হলে স্বাস্থ্যবান বা অল্প
মোটা, ৩০ থেকে ৩৫ এর মধ্যে হলে বেশি মোটা।
আর ৩৫ এর ওপরে হলে তাদেরকে অসুস্থ পর্যায়ের
মোটা বলা যেতে পারে।
অতিরিক্ত ওজন কিংবা অতি কম ওজন কারোই
কাম্য নয়। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন বেঁটে
কিন্তু মোটা, আবার অনেকে খুব লম্বা কিন্তু যেন
তালপাতার সেপাই। এরকম অবস্থা মানে উচ্চতা
অনুযায়ী তাদের ওজন ঠিক নেই। আপনার ওজন
বেশি না কম, নাকি তা ঠিকই আছে তা বুঝতে
হলে জেনে নিন উচ্চতা অনুযায়ী
উচ্চতা অনুযায়ী নারী পুরুষের আদর্শ ওজন
উচ্চতা পুরুষ (কেজি) নারী (কেজি)
►৪’৭” —— ৩৯-৪৯ —– ৩৬-৪৬
►৪’৮” —— ৪১-৫০ —– ৩৮-৪৮
►৪’৯” —— ৪২-৫২ —– ৩৯–৫০
►৪’১০” — ৪৪-৫৪ —– ৪১–৫২
►৪’১১” — ৪৫-৫৬ —– ৪২-৫৩
►৫ফিট — ৪৭-৫৮ —– ৪৩-৫৫
►৫’১” —— ৪৮-৬০ —– ৪৫-৫৭
►৫’২” —— ৫০-৬২ —– ৪৬-৫৯
►৫’৩” —— ৫১-৬৪ —– ৪৮-৬১
►৫’৪” —— ৫৩-৬৬ —– ৪৯-৬৩
►৫’৫” —— ৫৫-৬৮ —– ৫১-৬৫
►৫’৬” —— ৫৬-৭০ —– ৫৩-৬৭
►৫’৭” —— ৫৮-৭২ —– ৫৪-৬৯
► ৫’৮” —— ৬০-৭৪ —– ৫৬-৭১
► ৫’৯” —— ৬২-৭৬ —– ৫৭-৭১
►৫’১০” —— ৬৪-৭৯ —– ৫৯-৭৫
►৫’১১” —— ৬৫-৮১ —– ৬১-৭৭
►৬ ফিট —— ৬৭-৮৩ —– ৬৩-৮০
►৬’১” —— ৬৯-৮৬ —– ৬৫-৮২
►৬’২” —— ৭১-৮৮ —– ৬৭-৮৪
শরীর অতিরিক্ত রুগ্ন হলে দেখতে খারাপ তো
লাগেই, সাথে চেহারায় দ্রুত বলিরেখা পড়ে।
অতি রুগ্ন মানুষ অপুষ্টির শিকার। ফলে পুষ্টি জনিত
নানাবিধ রোগ, যেমন- অ্যানিমিয়া বা রক্ত
শুন্যতা, শারীরিক দুর্বলতা, নানান রকম চর্মরোগ
ইত্যাদি হওয়ার প্রবল সম্ভাবন থাকে। অপুষ্টির
শিকার হলে চুল পড়ে যাওয়া, দাঁত নষ্ট হয়ে
যাওয়া, হাড় খয়ে যাওয়া সহ নানা রকম রোগ হতে
পারে।
আবার শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমার ফলে মানুষ
মোটা হয় বা ভুঁড়ি হয়। ফ্যাট সেল বা চর্বিকোষ
আয়তনে বাড়ে তখন শরীরে চর্বি জমে। পেটে,
নিতম্বে, কোমরে ফ্যাট সেল বেশি থাকে।
অতিরিক্ত খাওয়ার জন্য দেহে চর্বি জমে, আবার
যে পরিমাণ খাওয়া হচ্ছে বা দেহ যে পরিমাণ
ক্যালরি পাচ্ছে সে পরিমাণ ক্ষয় বা ক্যালরি
খরচ হচ্ছে নাএ কারনেও দেহে মেদ জমতে পারে।
এগুলো শোনার বা জানার পর অনেকে হয়তো
বলবেন, সঠিক পরিমাণে খাদ্য গ্রহণের পরও ওজন
বেশি। তাদের অভিযোগ সঠিক। বংশগত কারণেও
মানুষ মোটা হতে পারে।
মদ্যপান, অতিরিক্ত ঘুম, মানসিক চাপ, স্টেরয়েড
এবং অন্য নানা ধরনের ওষুধ গ্রহণের ফলেও ওজন
বাড়তে পারে। বাড়তি ওজন কিংবা ভুঁড়ি
নিয়ে অনেক সমস্যা। বাড়তি ওজনের জন্য
যেকোনো ধরনের হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা
থাকে। এছাড়া রক্তনালিতে চর্বি জমে নানা
সমস্যার সৃষ্টি হয়। বাড়তি ওজন রক্তচাপেরও কারণ।
ডায়াবেটিস টাইপ-২ দেখা দিতে পারে মেদ
বৃদ্ধির জন্য। মেদবহুল ব্যক্তির জরায়ু, প্রস্টেট ও
কোলন ক্যান্সারের সম্ভাবনা শতকরা ৫ ভাগ
বেশি।
ওজন বৃদ্ধির সাথে সাথে হাঁটাচলা করতে সমস্যা
হয়। হাঁটুর সন্ধিস্থল, কার্টিলেজ, লিগামেন্ট
ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। আর্থ্রাইটিস, গেঁটে বাত এবং
গাউট হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। অতিরিক্ত
চর্বি থেকে পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার
সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।
সব মিলিয়ে বলা যায়, অতিরিক্ত কম ওজন বা
অতিরিক্ত বেশি ওজন- দুটোই সুস্থতার বিপরীত।
নিজের আদর্শ ওজন নির্ণয় করুন, এবং আপনার
অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে ওজনকে আদর্শ অবস্থানে
আনবার জন্য চেষ্টা করুন। কেবল সুন্দর থাকা মানেই
ভালো থাকা নয়, সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকাই
সত্যিকারের ভালো থাকা।

Monday, December 28, 2015

gggggggggggggggg

Tags
ggggখুশকি দূর করতে লেবু চমৎকার কাজ করে। গোসলের আগে মাথার তালুতে ভালো ভাবে লেবু ম্যাসাজ করুন। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। লেবু খুশকি দূর করার পাশাপাশি চুলের আঠালো ভাব দূর করে এবং উজ্জ্বলতা দান করে।  
নিয়মিত চুল আঁচড়ান, এতে মাথার তালুর রক্ত চলাচল বাড়বে এবং তেল এর নিঃসরণ বাড়বে। স্ট্রেস এর কারনে খুশকি বাড়তে পারে।তাই স্ট্রেস মুক্ত থাকার চেষ্টা করুন।স্বাস্থ্যকর খাবার খান।অস্বাস্থ্যকর

aaaaaaaaaaaaaaaa

Tags
aaaখুশকি দূর করতে লেবু চমৎকার কাজ করে। গোসলের আগে মাথার তালুতে ভালো ভাবে লেবু ম্যাসাজ করুন। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। লেবু খুশকি দূর করার পাশাপাশি চুলের আঠালো ভাব দূর করে এবং উজ্জ্বলতা দান করে।

নিয়মিত চুল আঁচড়ান, এতে মাথার তালুর রক্ত চলাচল বাড়বে এবং তেল এর নিঃসরণ বাড়বে। স্ট্রেস এর কারনে খুশকি বাড়তে পারে।তাই স্ট্রেস মুক্ত থাকার চেষ্টা করুন।স্বাস্থ্যকর খাবার খান।অস্বাস্থ্যকর

Wednesday, December 23, 2015

জমি রেজিস্ট্রেশনের নিয়ম, সবার জেনে রাখা দরকার

জমি রেজিস্ট্রেশনেরবাংলাদেশে প্রযোজ্য সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) আইন ২০০৪ এর ৫৪এ ধারা অনুসারে অস্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি হবে লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার (সংশোধন) আইন ২০০৪ এর ২১এ ধারার বিধান অনুসারে আদালতের মাধ্যমে চুক্তি বলবতের দুই শর্ত হলোঃ
লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত বায়না ব্যতীত চুক্তি প্রবলের মামলা আদালতের মাধ্যমে বলবৎ করা যাবে না।
বায়নার অবশিষ্ট টাকা আদালতে জমা না করলে মামলা দায়ের করা যাবে না।
রেজিস্ট্রেশনের সময় যে সকল কাগজপত্র প্রদান করতে হয়:
দলিল রেজিস্ট্রারিং অফিসার এ আইনে নতুন সংযোজিত ৫২এ ধারার বিধান অনুসারে বিক্রয়ের জন্য উপস্থাপিত কোন দলিল রেজিস্ট্রি করা হয় না যদি দলিলের সাথে নিচের কাগজগুলো সংযুক্ত থাকে:
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ এর বিধান অনুসারে প্রস্তুতকৃত সম্পত্তির সর্বশেষ খতিয়ান, বিক্রেতার নাম যদি তিনি উত্তরাধিকার সূত্র ব্যতীত অন্যভাবে সম্পত্তির মালিক হয়ে থাকেন।
প্রজাস্বত্ব আইনের বিধান অনুসারে প্রস্তুতকৃত সর্বশেষ খতিয়ান, বিক্রেতার নাম বা বিক্রেতার পূর্বসূরীর নাম যদি তিনি উত্তরাধিকারসূত্রে ঐ সম্পত্তি পেয়ে থাকেন।
সম্পত্তির প্রকৃতি।
সম্পত্তির মূল্য।
চতুর্সীমা সহ সম্পত্তির নকশা।
বিগত ২৫ বৎসরের মালিকানা সংক্রান্ত সংক্ষিপ্ত বিবরণ।
দাতা কর্তৃক এ মর্মে একটি হলফনামা (Affidavit) সম্পাদন করতে হবে যে তিনি উক্ত সম্পত্তি ইতোপূর্বে কারো নিকট বিক্রি করেননি এবং তিনিই দলিলে উল্লেখিত সম্পত্তির মালিক (He has Lawful Title)।
বিক্রয় বা সাফ কবলা দলিলের রেজিষ্ট্রেশন ব্যয় নিম্নরূপ:
২০০৯ সালের অক্টোবর থেকে পৌর এলাকা ভুক্ত এলাকার জন্য:
ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্প (সম্পত্তির মূল্যের)
৩.০%
সরকারী রেজি: ফি (যা রেজিষ্ট্রি অফিসে নগদ জমা দিতে হয়)
২.০%
স্থানীয় সরকার ফি (যা রেজিষ্ট্রি নগদ জমা দিতে হয়)
১.০ %
উৎস কর (এক লক্ষ টাকার উপরের জন্য প্রযোজ্য)
২.০%
গেইন ট্যাক্স ( পৌর/ সিটি কর্পোরেসনে জমা দিতে হয়)
১.০ %
মোট =
৯.০%
পৌর এলাকা বা সিটি কর্পোরেশন বহির্ভূত/ ইউনিয়ন পরিষদভুক্ত এলাকার জন্য:
ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্প (সম্পত্তির মূল্যের)
২.০ %
সরকারী রেজি: ফি (যা রেজিষ্ট্রি অফিসে নগদ জমা দিতে হয়)
২.০ %
স্থানীয় সরকার ফি (যা রেজিষ্ট্রি নগদ জমা দিতে হয়)
১.০ %
উৎস কর (এক লক্ষ টাকার উপরের জন্য প্রযোজ্য)
১.০ %
মোট =
৬.০%
এছাড়াও প্রতিটি দলিল রেজিষ্ট্রির সময় ৫০/= (পঞ্চাশ) টাকা মূল্যের ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে হলফনামা ও একটি নোটিশ সংযুক্ত করতে হয়। উক্ত নোটিশে ১/= টাকা মূল্যের কোর্ট ফি সংযুক্ত হয়। দলিল রেজিষ্ট্রি করতে ১৫০ টাকার ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে দলিল সম্পাদন করতে হয় এবং ষ্ট্যাম্পের বাদবাকী মূল্য বাংলাদেশ ব্যাংক বা সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে চালান করে, চালানের কপি সংযুক্ত করতে হয়।
দলিলের সার্টিফাইড কপি উত্তোলনের ক্ষেত্রে সরকারী ফি নিম্নরূপ:
ষ্ট্যাম্প বাবদ
২০ টাকা
কোর্ট ফি
৪ টাকা
মোট=
২৪ টাকা
লেখনী বাবদ দলিলের প্রতি ১০০ শব্দ বা অংশ বিশেষের জন্য বাংলার জন্য
৩ টাকা
প্রতি ১০০ ইংরেজী শব্দ বা অংশ বিশেষের জন্য
৫ টাকা
জরুরী নকলের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত
২০ টাকা
উক্ত নকল চার পৃষ্ঠার বেশি হলে প্রতি পৃষ্ঠার জন্য
৫ টাকা
দান দলিল রেজিস্ট্রেশন এর নিয়ম:
রেজিস্ট্রেশন (সংশোধন) আইন ২০০৪ এ নতুন সংযোজিত ৭৮এ ধারা অনুসারে স্থাবর সম্পত্তির দানপত্র দলিল অবশ্যই রেজিস্ট্রি করতে হয়। দান দলিল রেজিস্ট্রেশন ফি নিম্নরূপ:
স্বামী-স্ত্রী, পিতা-মাতা-সন্তান, দাদা-দাদী ও নাতি-নাতনী, সহোদর ভাই-ভাই, সহোদর বো-বোন এবং সহোদর ভাই ও সহোদর বোনের মধ্যে যে কোনো স্থাবর সম্পত্তির দানপত্র দলিল রেজিস্ট্রি ফি ১০০ টাকা।
উল্লিখিত সম্পর্কের বাইরের ব্যক্তিবর্গের মধ্যে সম্পাদিত দানপত্র দলিল রেজিস্ট্রির ফি হবে কবলা দলিল রেজিস্ট্রির জন্য প্রযোজ্য ফি’র অনুরূপ।
জীবন স্বত্ত্বে দান দলিল রেজিস্ট্রেশন ফিঃ
স্প্যাম্প এ্যাক্ট ১৯০৮ এর ৫৮ নং আর্টিক্যাল অনুসারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান (মুসলিম ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান) এর জন্য জীবন স্বত্ত্বে দানের বিধান হলো – যে প্রতিষ্ঠানের নামে সম্পত্তি দান করা হবে সে প্রতিষ্ঠান ঐ সম্পত্তি শুধু ভোগ-দখল করতে পারবে, সম্পত্তি কোনরূপ হস্তান্তর করতে পারবে না। এরূপ জমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে হবে দানকারীর নামে। কোন কারণে ঐ প্রতিষ্ঠানটি কার্যকর না থাকলে সম্পত্তি দানকারীর মালিকানায় চলে যাবে এবং দান দলিল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
স্ট্যাম্প ফি
২%
রেজিস্ট্রেশন ফি
২.৫%
ই ফিস
প্রযোজ্য